গর্ভাবস্থায় সমস্যা ও করণীয়

গর্ভাবস্থায় স্তনে ব্যথা

গর্ভাবস্থায় স্তনে ব্যথা

গর্ভধারণের ফলে শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের প্রভাবে স্তন ও স্তনের বোঁটা স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। ফলে আপনার স্তনে ব্যথা হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় দাঁতের মাড়ি ফোলা ও রক্ত পড়া

গর্ভাবস্থায় দাঁতের মাড়ি ফোলা ও রক্ত পড়া

গর্ভকালের প্রথম ট্রাইমেস্টার থেকেই কারও কারও মাড়ি ফুলে যেতে পারে এবং মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে। তবে সাধারণত গর্ভকাল বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যার প্রকোপ বাড়ে।

গর্ভাবস্থায় খাবারে অরুচি

গর্ভাবস্থায় খাবারে অরুচি

গর্ভাবস্থায় সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে কোনো খাবারের প্রতি অরুচি শুরু হয় না। একেকজনের ক্ষেত্রে একেকসময়ে ও একেক খাবারের প্রতি এই লক্ষণ দেখা দেয়।

গর্ভাবস্থায় যোনিপথে রক্তপাত

গর্ভাবস্থায় যোনিপথে রক্তপাত

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন কারণে যোনিপথ বা মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। যোনিপথে রক্তপাত সবসময়ই কোনো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ না হলেও এটি কখনো কখনো মারাত্মক স্বাস্থ্য জটিলতার লক্ষণ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা

গর্ভাবস্থায় আপনার শরীরে বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করে। এসবের পাশাপাশি শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত নানান পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তনগুলোর সাথে তাল মেলাতে গিয়ে অনেকসময় ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন

শিশু জন্মের পর প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত তার যাবতীয় পুষ্টি মায়ের বুকের দুধ থেকে পায়। এজন্য গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই আপনার দেহ স্তনকে প্রস্তুত করতে থাকে। ফলে পুরো গর্ভাবস্থা জুড়ে আপনার স্তনে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন হতে থাকে।

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন: দৃশ্যমান শিরা

গর্ভাবস্থায় স্তনের পরিবর্তন: দৃশ্যমান শিরা

সাধারণত গর্ভাবস্থা থেকে শুরু হয়ে সন্তান জন্মদানের পরে কিছু সময় পর্যন্ত স্তনের শিরাগুলো দৃশ্যমান থাকতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর পুরো সময়টা জুড়েও এটি থাকতে পারে।

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া

বুক জ্বালাপোড়া অথবা বদহজমের সমস্যা গর্ভাবস্থার যেকোনো সময়েই শুরু হতে পারে। তবে সাধারণত গর্ভকাল বাড়ার সাথে সাথে অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়তে থাকে। ঘরোয়া কিছু নিময় মেনে চললে এটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

গর্ভাবস্থায় মাথা ঘুরানো

গর্ভাবস্থায় মাথা ঘুরানো

সাধারণত গর্ভধারণের প্রথম ত্রৈমাসিকের শেষদিকে মাথা ঘুরানোর সমস্যা শুরু হয়। এরপর সমগ্র গর্ভকাল জুড়েই এই সমস্যা থাকতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ঘন ঘন প্রস্রাব

গর্ভাবস্থায় ঘন ঘন প্রস্রাব

গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা শুরু হতে পারে। গর্ভাবস্থায় সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রস্রাবের হারও কমবেশি হতে দেখা যায়। তবে সাধারণত সন্তান প্রসবের পরে ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায়।

গর্ভাবস্থায় মাথা ব্যথা

গর্ভাবস্থায় মাথা ব্যথা

সাধারণ মাথা ব্যথা গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর না হলেও আপনার জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। তবে কিছু সহজ পরামর্শ মেনে চলার মাধ্যমে আপনি অনেকাংশেই মাথা ব্যথা এড়িয়ে চলতে পারবেন।

গর্ভাবস্থায় ক্লান্তি

গর্ভাবস্থায় ক্লান্তি

গর্ভকালীন সময়ে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়৷ এসব পরিবর্তন আপনার কাজ করার শক্তি কমিয়ে ফেলে অবসাদ বা ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

গর্ভাবস্থায় পেট ফাঁপা

গর্ভাবস্থায় পেট ফাঁপা

গর্ভাবস্থায় পেট ফাঁপা আপনার জন্য অস্বস্তির একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এটি ঘরে বসেই নিরাময় করা যেতে পার।

গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য

গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য

গর্ভধারণের একেবারে প্রথম দিকের সময় থেকেই সন্তান জন্ম দেওয়ার তিন মাস পর পর্যন্তও আপনি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগতে পারেন। জীবনধারায় কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা সম্ভব।

গর্ভাবস্থায় খাবারে অরুচি ও তীব্র ইচ্ছা

গর্ভাবস্থায় খাবার খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা

গর্ভাবস্থায় পছন্দমতো খাবার খেতে কোনো সমস্যা নেই। তবে কোনো খাবারই অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। পছন্দমতো খাবার খাওয়ার পাশাপাশি খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও খেয়াল রাখতে হবে।

গর্ভাবস্থায় তীব্র ঘ্রাণশক্তি

গর্ভাবস্থায় তীব্র ঘ্রাণশক্তি

গর্ভধারণ করলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটে এবং বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখা যায়। ঘ্রাণশক্তি আগের চেয়ে তীব্র হয়ে পড়াও এমনই একটি উপসর্গ।

পাইলস বা অর্শ রোগ

গর্ভাবস্থায় পাইলস

গর্ভাবস্থায় শরীরে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন আসে। ফলে নানান রকম হরমোনের মাত্রা বাড়ে-কমে। বৃহদান্ত্র ও মলদ্বারের পেশি এবং রক্তনালীগুলো এরূপ শিথিল থাকার কারণে গর্ভবতীর পাইলস দেখা দেয়।

গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব

গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব

গর্ভাবস্থায় প্রায় সবারই সাদা স্রাব বেশি হয়। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এই সাদা স্রাব যোনিপথ থেকে কোন জীবাণুকে জরায়ুতে উঠে দেয় না, ফলে গর্ভের সন্তান ইনফেকশন থেকে রক্ষা পায়।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের লক্ষণ ও করনীয়

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস

গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মায়ের রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেড়ে গেলে তাকে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বলা হয়।

গর্ভাবস্থায় পা ফুলে যাওয়া

গর্ভাবস্থায় শরীর কিছুটা ফুলে যাওয়া বেশ স্বাভাবিক। বিশেষ করে পা, পায়ের গোড়ালি, পায়ের পাতা ও আঙুল এভাবে ফুলে যেতে দেখা যায়। সাধারণত গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এই ধরনের সমস্যা বেড়ে যায়।