ইনসুলিন

ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজ, অর্থাৎ সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস হলে দেহে সুগার নিয়ন্ত্রণের এই প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে।

diabetes-insulin

ওজন কত হওয়া উচিত

শরীরকে সুস্থ রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেড়ে গেলে শরীরের নিজস্ব ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।
আবার ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলেও শরীরে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ওজন কত হওয়া উচিত

ওমিপ্রাজল

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা, অ্যাসিডিটি বা বুক জ্বালাপোড়া করা এবং বদহজমের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি ঔষধের নাম ওমিপ্রাজল। পাকস্থলীর আলসারের চিকিৎসায় এবং আলসার প্রতিরোধের জন্যও ওমিপ্রাজল সেবন করা হয়।

ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল

কর্মস্থলে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ

ঘরে বাইরে কর্মস্থলে কাজের চাপ, সময়ের অভাব, মানসিক চাপ ও খাবারের লোভ—সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলা বেশ কঠিন হয়ে যেতে পারে। এজন্য প্রয়োজন পূর্বপরিকল্পনা।

কর্মস্থলে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ

মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ

নারীদের মাসিক বা পিরিয়ডের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঘটনাটি বেশ কমন। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত রক্তপাতের চিকিৎসা না নিলে তা স্বাভাবিক জীবনযাপনকে ব্যাহত করতে পারে।

আয়রনের অভাবজনিত অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা

অ্যানিমিয়া অর্থ রক্তশূন্যতা। শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে আয়রনের অভাবজনিত অ্যানিমিয়া হয়। সাধারণত গর্ভবতী অবস্থায় ও অন্য বিভিন্ন কারণে রক্তক্ষরণের ফলে দেহে আয়রনের ঘাটতি হয়।

আয়রনের অভাবজনিত অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা

সহবাস নিয়ে কিছু ভুল ধারণা

সহবাস বা যৌনসঙ্গম নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক রকম ভুল ধারণা, কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। যার ফলে সৃষ্টি হয় নানান শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক জটিলতা।

সহবাস নিয়ে কিছু ভুল ধারণা

সন্তান নেওয়ার সঠিক বয়স

অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন যে ৩০ বছর বয়সের আগেই বাচ্চা নিয়ে নেওয়া উচিৎ। তবে মোটা দাগের এই উত্তরটি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। একটি দম্পতি কয়টি বাচ্চা চান, তার উপরে ভিত্তি করে বাচ্চা নেওয়ার বয়সটাও ভিন্ন হতে পারে।

সন্তান নেওয়ার সঠিক বয়স

শিশুদের ডায়রিয়া হলে করণীয়

সাধারণত জীবাণু পেটে ঢোকার কারণে শিশুদের ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হয়ে থাকে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা না হলে ডায়রিয়া থেকে সৃষ্ট পানিশূন্যতা মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে।

শিশুদের ডায়রিয়া হলে করণীয়

পাইলস বা অর্শ রোগ

পায়ুপথের মুখ যদি কোনো কারণে ফুলে যায় কিংবা সেখানে গোটার মত হয় তখন একে বলা হয় পাইলস। অপারেশন ছাড়া অর্শ রোগের চিকিৎসা সম্ভব।

পাইলস বা অর্শ রোগ