অ্যাপেন্ডিসাইটিস

অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলো আমাদের দেহের ‘অ্যাপেন্ডিক্স’ নামক একটি অংশের রোগ।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস

অ্যাপেন্ডিসাইটিস থেকে সৃষ্ট জটিলতা

সময়মতো অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর চিকিৎসা না করালে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে বিভিন্ন মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এমনকি ইনফেকশন হয়ে রোগী মৃত্যুবরণ করতে পারে।

appendicitis-complications

অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর চিকিৎসা

সময়মতো অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর চিকিৎসা না করালে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে বিভিন্ন মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এমনকি ইনফেকশন হয়ে রোগী মৃত্যুবরণ করতে পারে।

appendicitis-treatment

অ্যাপেন্ডিসাইটিস নির্ণয়

মূলত রোগের লক্ষণগুলো দেখেই অ্যাপেন্ডিসাইটিস নির্ণয় করা হয়। অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে কি না তা নির্ণয় করা কিছুটা কঠিন হতে পারে।

এনাল ফিস্টুলা বা ভগন্দর

এনাল ফিস্টুলা বা মলদ্বারের ফিস্টুলা বলতে সাধারণত মলদ্বারের আশেপাশের ইনফেকশন থেকে যখন মলাশয় আর মলদ্বারের চারপাশের চামড়ার মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি তখন সেই অবস্থাকে বুঝায়। অনেকের কাছে এই রোগটি ভগন্দর নামেও পরিচিত।

এনাল ফিস্টুলা বা ভগন্দর

পেটের আলসারের কারণ

গ্যাস্ট্রিক আলসারের সবচেয়ে পরিচিত দুটি কারণ হলো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ও প্রদাহনাশক গ্রুপের ঔষধ সেবন। ধূমপান করলে পাকস্থলীর আলসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

পেটের আলসারের লক্ষণ

গ্যাস্ট্রিক আলসার বা পাকস্থলীর আলসারের সবচেয়ে কমন লক্ষণ হলো পেটের মাঝ বরাবর জ্বালাপোড়া করা কিংবা সার্বক্ষণিক এক ধরণের ভোঁতা ব্যথা হতে থাকা।

পেটের আলসারের জটিলতা

পাকস্থলীর আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসারে সাধারণত বিশেষ জটিলতা দেখা যায় না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব জটিলতা মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে।

পেটের আলসারের চিকিৎসা

পেটের আলসারের চিকিৎসা কেমন হবে তা মূলত নির্ভর করে ঠিক কোন কারণে আলসারটি হয়েছে সেটির ওপর। সঠিক চিকিৎসা পেলে অধিকাংশ পেটের আলসারই সাধারণত এক থেকে দুই মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ সেরে ওঠে।

পেটের আলসার নির্ণয়

পাকস্থলীর আলসারের লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয়। ডাক্তার আপনার রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার উদ্দেশ্যে কিছু প্রশ্ন করবেন

পেটের আলসার

পেটের আলসার হলো পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে হওয়া এক ধরনের ঘা বা ক্ষত। এ ধরনের আলসার পাকস্থলী ছাড়াও পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য জায়গায় হতে পারে।

পেটের আলসার

কোষ্ঠকাঠিন্য বা পায়খানা কষা হওয়া

কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পায়খানা শক্ত হয়, যার কারণে অনেকে মলত্যাগের সময় ব্যথা অনুভব করেন। কারও কারও ক্ষেত্রে একটানা তিন–চারদিন পায়খানা নাও হতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য বা পায়খানা কষা হওয়া

এনাল ফিসার বা গেজ রোগ

এনাল ফিসার একধরণের পায়ুপথের রোগ। পায়খানা করার সময় খুব বেশি জ্বালাপোড়া হওয়া অথবা ছুরির ধারের মত ব্যথা করা সাধারণত এনাল ফিসার রোগের লক্ষণ।

এনাল ফিসার বা গেজ রোগ

শিশুদের ডায়রিয়া হলে করণীয়

সাধারণত জীবাণু পেটে ঢোকার কারণে শিশুদের ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হয়ে থাকে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা না হলে ডায়রিয়া থেকে সৃষ্ট পানিশূন্যতা মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে।

শিশুদের ডায়রিয়া হলে করণীয়

পাইলস বা অর্শ রোগ

পায়ুপথের মুখ যদি কোনো কারণে ফুলে যায় কিংবা সেখানে গোটার মত হয় তখন একে বলা হয় পাইলস। অপারেশন ছাড়া অর্শ রোগের চিকিৎসা সম্ভব।

পাইলস বা অর্শ রোগ